বদিকে মনোনয়ন দেওয়া হয় নাই,কাদের

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবদুর রহমান বদি মনোনয়ন পাচ্ছেন না জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যে দুইজন সাংসদকে নিয়ে বিতর্ক আছে, কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে আবদুর রহমান বদি ও টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে আমানুর রহমান খান রানা- তাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। দেখুন একটা সত্যি কথা বলছি। জরিপে টাঙ্গাইলে রানা ও টেকনাফে বদি অনেক এগিয়ে তারপরও তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে।আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।সেতুমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারে বদিকে বাদ দিয়ে তার স্ত্রী শাহীনা আক্তার চৌধুরীকে এবং টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে রানার বাবা আতাউর রহমান খানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ঘরের সব কী অপরাধী? আপনি অপরাধী হলে আপনার মা-বাবাকে তার ভাগীদার? পরিবারের সবাই কী খারাপ লোক? বদির সম্পর্কে যে বিতর্ক আছে সে কী প্রমাণিত? আপনারা কেউ কী সেটা প্রমাণ করতে পেরেছেন? তিনি আরো বলেন, সময়টা খুব সংবেদনশীল। রাজনৈতিক বিষয়ে আপনাদের সাথে আমার ভিন্নমত থাকতে পারে। কিন্তু তাই বলে কারও বক্তব্য ভিন্নভাবে প্রকাশ করবেন না। বক্তব্য বিকৃত করবেন না।

আরও পড়ুন=একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যথাযথ নীতিমালা মেনে পর্যবেক্ষকদের দায়িত্ব পালন করতে বললেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি বলছেন, এমন কোনো কাজ পর্যবেক্ষকরা করতে পারবেন না, যা নির্বাচনের নীতিমালায় নেই। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের সময় একজন পর্যবেক্ষক কোনো গোপন তথ্য দিতে পারবেন না। এছাড়া কাউকে নির্দেশনা দিতে পারবেন না। এমনকি প্রিজাইডিং অফিসার ও পুলিং অফিসারকে উদ্দেশ্য করেও নয়।আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নির্বাচন কমিশনে পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তাদেরকে এ সতর্কতামূলক নির্দেশনা দেন তিনি।তিনি আরো বলেন,

দায়িত্ব পালনে পর্যবেক্ষকদের কোনো গাফিলতি পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া ভোট নিয়ে কোনো কেন্দ্রে যদি অনিয়ম হয়, আর সেটা পর্যবেক্ষকদের নজড়ে আসে, তবে তারা নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করতে পারবেন। কিন্তু ওই সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো কথা বলা যাবে না। যদি কিছু বলতে হয়, তবে এর প্রতিবেদন তৈরি করে সেটা জমা দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে কথা বলতে হবে।পর্যবেক্ষকদের সতর্ক করে ইসি সচিব বলেন, গণমাধ্যমে পর্যবেক্ষকরা কোনো মন্তব্য করতে পারবেন না। এছাড়া পর্যবেক্ষক কোনো লাইভ সম্প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না। সেইসঙ্গে

পর্যবেক্ষক যেনো এমন কোনো আচরণ না করেন, যাতে করে তিনি পক্ষপাতিত্ব করছেন বোঝা যায়।তিনি আরো বলেন, পর্যবেক্ষক গলায় কার্ড ঝুলিয়ে কেন্দ্রের পাশে দাঁড়িয়ে থাকবেন। তিনি শুধু দেখবেন, অবজার্ভ করবেন, বুঝবেন। তার রিপোর্ট জমা দেওয়ার আগে কোনো মন্তব্য তিনি করবেন না। নয়তো ওই পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন বাতিল।এ সময় নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেসুর রহমান, যুগ্ম সচিব খন্দকার মিজানুর রহমান ও এএসএম আসাদুজ্জামানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*